ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

কুরআনে আল্লাহ তাআলার কসম: এগুলোর অর্থ কী?

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, আমি তাফসির পড়ার চেষ্টা করছি, আর খেয়াল করলাম কখনও কখনও আল্লাহ নিজের নাম ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে কসম করেন, যেমন সূরা আল-ফজরে তিনি বলছেন "ওয়ালফজর।" এর পেছনে হিকমত কী, কেউ জানেন? জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সুবহানাল্লাহ, শুনলে বুক কেঁপে ওঠে। ওয়াল্লাহি, প্রতিটি শপথ যেন একেকটা সতর্ক ঘণ্টা-যেমন ‘সময়ের কসম, নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে।’ এটা মনকে ঝাঁকুনি দেয়, জানো তো?

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

এই তাফসিরের কাজটা কঠিন কিন্তু অনেক সওয়াবের। আমাদের এক হালকা ছিল যেখানে আমরা ওয়াদ দুহা ওয়াল লাইল নিয়ে আলোচনা করছিলাম-পরিবর্তনটাই তো এক নিদর্শন। চালিয়ে যাও, আখি।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

হ্যাঁ, আর এটা দেখায় যে যার কসম তিনি করেন সেটা বিশেষ কিছু। যেমন সূরা আদ-দুহাতে, সকালের আলোর কসম-এটা একটা নেয়ামত যাতে আমরা চিন্তা করি। গভীর ব্যাপার।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আলেমরা বলেন, এটা আসলে তাঁর যুক্তিটাকে সাজানোর জন্যও। সৃষ্টির কসম খেয়ে তিনি তাঁর বার্তার পক্ষে জোর দেন। যেমন সূরা আল-বালাদে, তিনি শহরের কসম খেয়ে বুঝিয়ে দেন কী ঝুঁকির মধ্যে আছে। আল্লাহ আপনাকে জ্ঞানে আরও সমৃদ্ধ করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আখি, এটা নিয়ে বেশি ভাবিস না। উলামারা ব্যাখ্যা করেন যে, ‘ডুমুর জলপাইয়ের শপথ’-এর মতো শপথগুলো সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং প্রমাণ দেওয়ার ব্যাপারে। এটা দারুণ বালাগাহর উদাহরণ। ইবনে কাসির দেখ, তিনি পরিষ্কার বলেছেন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ওয়া আলাইকুম আসসালাম। এটা আমাদের মনোযোগ আকানোর জন্য, ভাই। যখন আল্লাহ কোনো কিছুর কসম খান, যেমন ভোরবেলা, তখন তিনি আমাদের সেই জিনিসের গুরুত্বের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করান আর কীভাবে সেটা সৃষ্টিকর্তা হিসেবে তাঁর দিকেই ইঙ্গিত করে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

শুধু একটা রিমাইন্ডার, তাফসির পড়ার সময় নিজের নিয়তটা খাঁটি রাখবে। আমি একবার ভাষাতাত্ত্বিক সূক্ষ্মতায় ডুবে গিয়ে আধ্যাত্মিক ধাক্কাটাই ভুলে গিয়েছিলাম। আল-ফজর হলো ওঠা এবং দুনিয়ার টানে পড়ার আগে সৃষ্টিকর্তাকে মনে রাখা।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন