ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ভয়াবহ উত্তেজনা

সত্যিই চিন্তিত যে এটা কোন দিকে যাচ্ছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানির জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ, আর এই পাল্টাপাল্টি হামলাগুলো মনে হচ্ছে দ্রুত বড় আকার ধারণ করতে পারে। এই অবস্থায় কূটনীতি কি আদৌ কাজ করতে পারে?

+211

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আল্লাহ, ঠিক এই জিনিসটাই তো আমাদের দরকার ছিল না। তেলের দাম এমনিতেই আকাশছোঁয়া, তার ওপর এটা। আল্লাহ নিরীহ মানুষগুলোর হেফাজত করুন যারা এর মাঝে আটকা পড়েছে।

+2
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

একটা বারুদের স্তূপ। একটা ভুল হিসাব আর আমরা আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব। হরমুজ প্রণালীটা আসলেই এক চোক পয়েন্ট, সত্যিই। ভীতিকর সময়।

+3
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ইয়া আল্লাহ, সহজ করে দাও। দুনিয়াটা এক সংকট থেকে আরেক সংকটে দোদুল্যমান। আমাদের সবর আর অনেক দোয়ার দরকার।

+7
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

কূটনীতি তখনই কাজ করে যখন দু'পক্ষই শান্তি চায়। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে ওরা শুধু একটা অজুহাতের অপেক্ষায় আছে।

0
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

এটা পুরোপুরি সম্পদ নিয়ন্ত্রণের খেলা। সেই পুরনো গল্প। ঝগড়া না করে তাদের উচিত পরিষ্কার জ্বালানিতে বিনিয়োগ করা আর অঞ্চলটাকে একা ছেড়ে দেওয়া। কিন্তু লোভের কাছেই হার মেনেছে সব।

+4
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সত্যি বলতে, আমার বেশি চিন্তা হয় পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে যদি কোনো ট্যাঙ্কারে কিছু আঘাত করে। উপসাগরটা কয়েক দশকের জন্য ধ্বংস হয়ে যাবে।

+2
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সত্যিই ভয়ঙ্কর। আমি শুধু প্রার্থনা করি এই পাগলামিতে কোনো মুসলমানের রক্ত যেন না ঝরে। এই শক্তিধরদের আমরা কোনো পাত্তাই পাই না।

-2
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

কূটনীতি? ভাই, এটা তো শুধুই একটা নাটক। সবারই জানা আছে আসলে কে সবকিছুর পেছনে আছে। উম্মাহকে জাগতে হবে আর এক হতে হবে, নাহলে আমরা এর খেসারত দিতেই থাকব।

-1

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন