ভূমিকম্প এম ৭.৭ এনটিটি: ৫,৪৩৪ বাসিন্দা আশ্রয়হীন, ৪৭ জন নিহত এবং ১,৩৫৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প যে নুসা তেঙ্গারা তিমুর (এনটিটি) কেঁপে উঠেছিল, তাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এখনও ৫,৪৩৪ জন বাসিন্দা আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন, আর রবিবার (১৬/৮/২০২৬) রাত ১২টা WIB পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে। নাগেকেও অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত এই ভূমিকম্পে ১০১ জন আহতও হয়েছেন।
বিএনপিবির দুর্যোগ তথ্য, তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বার্টন এসপি পাঞ্জাইতান জানান, সবচেয়ে বেশি আশ্রয়হীন মানুষ রয়েছেন সিক্কা ও মাঙ্গারাই জেলায়। সিক্কা জেলায় ৩,৩৫৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন, আর মাঙ্গারাই জেলায় ২,০৭৮ জন। জরুরি ত্রাণসামগ্রী, চাল, ওষুধ, কম্বল, ভাঁজ করা বিছানা, মাদুর, পরিষ্কার পানি, এমনকি জেনারেটর-এসব মৌলিক চাহিদা এখন সবচেয়ে জরুরি সমস্যা।
বিএনপিবির হিসাবে, ৯১৪টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, ১২৬টি মাঝারি এবং ৩১৭টি হালকা ক্ষতিগ্রস্ত। সরকারি স্থাপনাও ক্ষতির মুখে পড়েছে-অন্তত ৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৩৮টি সরকারি দপ্তর। মূল ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে, যা বাসিন্দাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এনটিটি প্রাদেশিক সরকার ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। মাঙ্গারাই জেলার রেওক উপজেলায় একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে এবং তা চালু আছে। লারান্টুকা–মাউমেরে সড়কপথ আবার চালু হয়েছে, তবে এন্ডে–নাগেকেও পথ এখনও ভূমিকম্পের কারণে বিচ্ছিন্ন।
https://www.gelora.co/2026/08/