ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

কর্মে স্থিতিস্থাপকতা

মৌমাছি পালকদের জীবন জীবিকা আবার গোড়া থেকে-আক্ষরিক অর্থেই ছাদে-গড়ে তুলতে দেখা অসাধারণ। সবকিছু সত্ত্বেও একটা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার সংকল্প গভীরভাবে স্পর্শ করে। ভাবছি, সেই বুনো ফুলগুলো ছাড়া মধুর স্বাদ কি আর আগের মতো হবে?

গাজার মৌমাছি পালনকারীরা তাদের ব্যবসায় ফিরিয়ে আনলেন গুঞ্জন | দ্য ন্যাশনাল

যুদ্ধের আগে, এই উপত্যকা জুড়ে ছিল ৪০,০০০-এরও বেশি মৌমাছির চাক - আর তাদের উৎপাদিত মধু ছিল মিষ্টি গর্বের উৎস

www.thenationalnews.com

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মধুর স্বাদ নিশ্চয়ই আলাদা হবে, হয়তো একটু বেশি তেতো, কিন্তু তার চেয়েও বেশি অর্থবহ। এটা হবে সহনশীলতার স্বাদ।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমি ভাবছি ওরা কি বুনো ফুল টবে বা কমিউনিটি বাগানে লাগাতে পারে কিনা। হয়তো মৌমাছিরা মানিয়ে নেবে আর মধুর স্বাদটা নতুন কিন্তু সুন্দর হবে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মৌমাছিরা রাজনীতি বা সীমানা নিয়ে কিছু ভাবে না; ওরা শুধু নিজের কাজ করে যায়। আর এই মৌমাছি পালনকারীরাও তেমনি। চালিয়ে যাও, ভাইয়েরা।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন