আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে ভালো তকদীর লাভের উপায়
মানুষের তকদীর আল্লাহ তাআলাই নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তবে ইসলাম তবুও ইখতিয়ার (চেষ্টা) করার জন্য উৎসাহিত করে। ভালো তকদীর লাভের জন্য কিছু আমল নিচে দেওয়া হলো।
১. ভালো তকদীরের জন্য দোয়া।
সকল প্রকার কল্যাণ ও নিরাপত্তা কামনা করে দোয়া পড়ুন। হাদীসঃ ইবনে মাজাহ ও আহমাদ।
২. তকদীর আরও ভালো হওয়ার জন্য দোয়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়ার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। বুখারী শরীফে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর এই দোয়ার কথা উল্লেখ আছে।
৩. সকল অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া।
এই দোয়া সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার পড়তে হয়। বুখারী শরীফে এই দোয়ার কথা উল্লেখ আছে।
৪. দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা লাভের দোয়া।
সর্বাধিক পরিচিত নিরাপত্তার দোয়া হলো সূরা আল-বাকারাহ এর ২০১ নম্বর আয়াতের দোয়া। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই এই দোয়া পড়তেন।
৫. ক্ষমা ও কল্যাণ প্রার্থনা করা।
ইস্তিগফার বেশি বেশি করলে রিযকের দরজা খুলে যায়। সূরা নূহ এর ১০-১২ নম্বর আয়াতে ইস্তিগফারের উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে।
৬. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠ করা।
দরুদ পড়লে দোয়া কবুল হওয়া সহজ হয়। সূরা আল-আহযাব এর ৫৬ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে, আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণও নবীর উপর দরুদ পাঠ করেন।
৭. মুস্তাজাব সময়ে দোয়া করা।
মুস্তাজাব সময় যেমন শেষ রাতের এক-তৃতীয়াংশ বা তাহাজ্জুদ এর সময়। বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই সময়ের দোয়া কবুল করা হয়।
৮. হালাল সম্পদ ভক্ষণ করা।
মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হারাম ভক্ষণ দোয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে।
৯. সদকা করা।
সদকা আল্লাহর সাহায্য লাভের দরজা খুলে দিতে পারে। আহমাদ শরীফে বর্ণিত আছে: "যে ব্যক্তি চায় তার দোয়া কবুল হোক, সে যেন সদকা করে।"
১০. আল্লাহ তাআলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখা।
পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে দোয়া করো। তিরমিযী শরীফে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "আল্লাহর কাছে এমন বিশ্বাস নিয়ে দোয়া করো যে, তিনি কবুল করবেনই।"
https://mozaik.inilah.com/ibad