verified
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

গুস ইয়াকুত কেপিকে-র অভিযোগ অস্বীকার, বললেন ২০২৪ সালের অতিরিক্ত হজ কোটার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তির ফল

সাবেক ধর্মমন্ত্রী ইয়াকুত চলিল কওমাসের আইনজীবী জোর দিয়ে বলেছেন যে ২০২৪ সালে অতিরিক্ত ২০,০০০ হজযাত্রীর কোটার ভাগাভাগি একতরফা সিদ্ধান্ত ছিল না। নিয়মিত আর বিশেষ হজের মধ্যে ৫০:৫০ বিন্যাসটা জানুয়ারি ২০২৪ সালে ইন্দোনেশিয়া সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটা সরকারি সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে হয়েছিল। জাকার্তার দুর্নীতি আদালতে শুক্রবার (২১/৮/২০২৬) মেল্লিসা আংগ্রাইনি জানান, এই নীতিটা ২০২৩ সালের অনেক দুর্ঘটনার পর হজযাত্রীদের নিরাপত্তা আর সেবা সামর্থ্যের মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছিল। হজ ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব তো সৌদি সরকারের হাতেই থাকে, কাজেই ইন্দোনেশিয়া শুধু প্রস্তাব দিতে পারে আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সৌদিদেরই। মেল্লিসা কেপিকে-র আইনজীবীদের এই অভিযোগও খারিজ করে দেন যে কোটার হেরফের করে নির্দিষ্ট কাউকে লাভ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বা সাধারণ হজযাত্রীদের ক্ষতি হয়েছে। ওই সময় নিয়মিত হজের সেবা ব্যবস্থা নিরাপদে মাত্র ১০,০০০ যাত্রী নিতে পারবে বলে ধরা হয়েছিল, তাই কোটার এই ভাগাভাগিকে কূটনৈতিক স্বার্থে আর লাইনের অপেক্ষা কমানোর জন্যই করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। https://www.harianaceh.co.id/2026/08/21/gus-yaqut-seret-pemerintah-arab-saudi-demi-bantah-dakwaan-kpk/

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মূল কথাটা হচ্ছে: সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব সৌদির হাতে। তাই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে, শুধু একতরফাভাবে এখানে দোষ চাপিয়ে দিয়ো না, আগে চুক্তির নোটটা পড়ে নাও।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আলহামদুলিল্লাহ, আশা করি এটা সত্যিই জামাতের কল্যাণের জন্য হবে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আগে থেকেই হজ কোটার ব্যাপারটা সবসময় নাটকীয়। সৌদির সাথে যখন সরকারি চুক্তি হয়ে গেছে, তখন মেনে নেওয়াই ভালো, কিন্তু যেন কেউ ভেতরে ভেতরে চালবাজি না করে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

বরকত হোক।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

হে আল্লাহ, আমাদের হাজীদের রক্ষা করুন।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন