সূরা আল-ফাতিহার ৫টি বিশেষ মর্যাদা: পূর্ণবরকতময় কুরআনের মাতৃগ্রন্থ
সূরা আল-ফাতিহা, যা উম্মুল কুরআন বা কুরআনের মাতৃগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত, ইসলামে একটি বিশেষ স্থান ধারণ করে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে দৈনিক কমপক্ষে ১৭ বার এটি পাঠ করা হয়, এই সূরাটি ইসলামের মূল শিক্ষাকে সংক্ষিপ্ত সাত আয়াতে সমন্বিত করে। এর মহিমা আল্লাহ তায়ালা কুরআনের সূরা আল-হিজর আয়াত ৮৭-এও স্পষ্ট করেছেন, যেখানে এটি 'বারবার পাঠ করা সাতটি আয়াত' এবং মহান কুরআনের অংশ হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে।
আবু হুরায়রা ও উবাই বিন কাবের বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ তাওরাত বা ইঞ্জিলে আল-ফাতিহার মতো মহিমান্বিত কোনো সূরা অবতীর্ণ করেননি। তাছাড়া, আল-ফাতিহা পাঠ নামাজের বৈধতার একটি শর্ত, যেমন উবাদা বিন সামিতের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর বাণী: 'যে ব্যক্তি সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করে না, তার নামাজ বৈধ নয়।'
অন্যান্য বিশেষত্বের মধ্যে রয়েছে 'দুটি আলোক' বিশেষভাবে অবতরণের কাহিনী-আল-ফাতিহা ও সূরা আল-বাকারাহর শেষাংশ-যা শুধুমাত্র নবী মুহাম্মদ (সা.) এর জন্য প্রদত্ত। এই সূরাটি রুকিয়া (আরোগ্যদায়ী) হিসেবে কাজ করে, যেমন আবু সাইদ আল-খুদরি এটি পাঠ করে একজনকে আরোগ্য করেছিলেন। এটি হাদিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যা বলে 'ফাতিহাতুল কিতাব হল বিষপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য আরোগ্য।'
https://mozaik.inilah.com/ibad