তাজবিদ বিদ্যায় ১৫টি মাদ পাঠের নিয়ম: সংজ্ঞা, প্রকারভেদ এবং সম্পূর্ণ উদাহরণ
মাদ পাঠের নিয়ম তাজবিদ বিদ্যার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মুসলিমদের অবশ্যই বোঝা উচিত। ভাষাগতভাবে, মাদ মানে লম্বা করা, অর্থাৎ হিজাইয়া হরফের আওয়াজ লম্বা করা যখন সেটা মাদ হরফের (আলিফ, ওয়াও সাকিন, বা ইয়া সাকিন) সাথে মিলিত হয়। এর মৌলিক শর্তগুলো হলো ফাতহার পর আলিফ, ধাম্মার পর ওয়াও সাকিন, এবং কাসরার পর ইয়া সাকিন।
মাদের নিয়ম ভাগ করা হয়েছে মাদ তবিই (মূল) যা দুই হরকত পড়তে হয়, আর মাদ ফারই (শাখা) যার ১৪টা প্রকার আছে। মাদ ফারই ঘটে অতিরিক্ত কোনো কারণে, যেমন হামজা, সাকিন, তাশদিদ বা ওয়াকফের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য। মাদ তবিইর উদাহরণ পাওয়া যায় সুরা আন-নাসের ৪ নম্বর আয়াতে الْوَسْوَاسِ শব্দে।
১৪ প্রকার মাদ ফারইর মধ্যে আছে: মাদ ওয়াজিব মুত্তাসিল, মাদ জায়েজ মুনফাসিল, মাদ লাজিম মুসাক্কাল কিলমি, মাদ লাজিম মুখাফফাফ কিলমি, মাদ লাইয়িন, মাদ আরিদ লিসসুকুন, মাদ সিলাহ কাসিরাহ, মাদ সিলাহ তাওইলাহ, মাদ ইওয়াদ, মাদ বাদাল, মাদ লাজিম হারফি মুখাফফাফ, মাদ লাজিম হারফি মুসাক্কাল, মাদ তামকিন, আর মাদ ফারকু। প্রত্যেকটার জন্য পড়ার দৈর্ঘ্যের নির্দিষ্ট নিয়ম আর কুরআনে উদাহরণ আছে।
এই ১৫টা মাদ নিয়ম বোঝা মুসলিমদের সাহায্য করে কুরআন সঠিকভাবে পড়তে তাজবিদের নিয়ম অনুযায়ী, যাতে তারা ভুল থেকে বাঁচতে পারে যা অর্থ পরিবর্তন করে দিতে পারে।
https://mozaik.inilah.com/ibad