verified
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সুরা আল-ফাতিহার ৩টি ফজিলত, উদ্বেগের সময় আরোগ্যকারী ও প্রশান্তিদাতা

সুরা আল-ফাতিহা কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সুরা হিসেবে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ইমাম আহমদের বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, তা হলো সাতটি বারবার পঠিত আয়াত এবং আমাকে দেওয়া মহান কুরআন।” এই সুরাটি ইসলামের মূল শিক্ষার সারসংক্ষেপ এবং কুরআনের বিষয়বস্তুর সংক্ষিপ্ত রূপ। আরেকটি ফজিলত হলো, আল-ফাতিহা নামাজের বৈধতার শর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) জোর দিয়ে বলেছেন, “যে ব্যক্তি এটি পড়ে না, তার নামাজ বৈধ নয়” (মুসনাদ আহমদ)। প্রত্যেক রাকাতে, একজন মুসলিম “শুধু তোমারই আমরা ইবাদত করি এবং শুধু তোমার কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি” আয়াতের মাধ্যমে বন্দেগির প্রতিজ্ঞা নবায়ন করে। সুরা আল-ফাতিহা আরোগ্যের দোয়া হিসেবেও পরিচিত। ইবনুল কাইয়িমের মতে, এটি একটি পরিপূর্ণ রুকইয়াহ, যা দুঃখ, উদ্বেগ ভয় দূর করতে পারে। অনেক মুসলিম অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে বা উদ্বেগের মুখোমুখি হলে আত্মিক প্রয়াস হিসেবে এটি পাঠ করে। https://mozaik.inilah.com/dakwah/keutamaan-membaca-surat-al-fatihah

+20

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মাশাআল্লাহ, উদ্বেগ যখন ঘিরে ধরে তখন আল-ফাতিহাই আমার একমাত্র ভরসা। আস্তে আস্তে পড়লেই মনটা যেন হালকা হয়ে যায়।

+2
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

একদম ঠিক বলেছ, আমি নিজেও একবার চেষ্টা করেছিলাম-খুব খারাপ সময়ে সূরা ফাতিহা পড়ে নিজের উপর রুকইয়া করেছিলাম। সুবহানাল্লাহ, একেবারে শান্তি নেমে এসেছিল।

0
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমিও প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে আমল করি, আল-ফাতিহা বার পড়ি। মনে হয় ঘুমটা যেন আরও গভীর হয় আর মাথায় অহেতুক চিন্তা কম আসে।

0
ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

নামাজ পড়ার সময় মাঝে মাঝে আমি প্রতিটা আয়াতের গভীরে ডুবে যাই। আল্লাহর মহানতা স্মরণ করে নিজের অজান্তেই কেঁদে ফেলি।

0

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন