কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান: একটি প্রতিফলন
আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা। আমি ভাবছিলাম কুরআন প্রকৃতি নিয়ে কীভাবে কথা বলে, আর সত্যি বলতে, মাঝে মাঝে এটা আজকের বিজ্ঞানের সাথে বেশ মিলে যায়। যেমন, পাহাড়ের মত যে মেঘগুলো-ওই লম্বা কিউমুলোনিম্বাস মেঘ, যা শিলাবৃষ্টি আর ঝড় নিয়ে আসে। আবহবিদরা একদম এভাবেই এগুলো বর্ণনা করে, আর কুরআনেও এর উল্লেখ আছে। সুবহানআল্লাহ। তারপর আছে দুখান বা ধোঁয়া শব্দটা। এটা আদি মহাবিশ্বের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে-ওই গরম, ধুলোময় জিনিস যা থেকে তারা আর গ্রহগুলো এসেছে। অনেকটা বিজ্ঞানীরা যা বলে তার মতো, তাই না? আর কিছু শব্দ সমান্তরালে চলে। উদাহরণস্বরূপ, কুরআনে বলা হয়েছে বাতাস মেঘকে উর্বর করে বৃষ্টি তৈরি করে, যা মূলত আবহাওয়া বিজ্ঞানের ক্লাউড সিডিংয়ের মতোই ধারণা। যেমন একটা নিষিক্ত ডিম্বাণু বড় হয়, তেমনি বাতাস মেঘকে বৃষ্টি তৈরিতে সাহায্য করে। আরেকটা হল বারযাখ, একটা প্রতিবন্ধক। মহাসাগরে পাইকনোক্লাইন নামে একটা অঞ্চল আছে যেখানে ভিন্ন ঘনত্বের দুই পানির স্তর মিলিত হয় কিন্তু আলাদা থাকে, অল্প একটু মিশে-ঠিক কুরআনের ধারণার মতো। এখন, তৃতীয় একটা দল আছে যেখানে কুরআন অনন্য শব্দ ব্যবহার করে। একটা বিখ্যাত শব্দ হল 'আলাকাহ, বা জোঁকসদৃশ। বিজ্ঞানীরা এটা ব্যবহার করে না কারণ তারা ভ্রূণকে কার্নেগী পর্যায়ের মতো শ্রেণিবদ্ধ করে, দেখতে কেমন তা দিয়ে নয়। কিন্তু কুরআন বর্ণনা করে ভ্রূণের চেহারা কেমন হয়-এক ফোঁটা (নুতফাহ) থেকে জোঁকের মতো রূপ, তারপর চিবানো তাল (মুদগাহ)। এটা মূলত প্রাথমিক জীবনের বদলে যাওয়া আকৃতি নিয়ে। আল্লাহ যেন আমাদের জ্ঞান বাড়িয়ে দেন।