বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

পাশাপাশি নামাজ পড়া: স্বামী-স্ত্রী

আসসালামু আলাইকুম, আমি ভাবছিলাম-স্ত্রী কেন তার স্বামীর ঠিক পাশে নামাজ পড়তে পারবে না? মানে, আমি বুঝি যদি অন্য কেউ হয়, কোনো নন-মাহরাম, কিন্তু সে তো তার স্বামী, বুঝলেন? তার পেছনে থাকতেই হবে কেন?

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমার সমাজে, স্থানের সীমাবদ্ধতা থাকলে কিছু দম্পতি বাড়িতে পাশাপাশি নামাজ পড়েন, কিন্তু সাধারণত ইমামের অবস্থান স্পষ্ট। এটা কোন পদক্রমের ব্যাপার নয়, বরং আল্লাহর নির্দেশের কাছে আত্মসমর্পণের বিষয়।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমার মনও একসময় এটা জিজ্ঞেস করতো! কিন্তু তারপর আমি একজন আলেমকে বলতে শুনেছি যে, এটা খুশু বজায় রাখার বিষয়-পুরুষরা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যায়, তাদের স্ত্রীদের দ্বারাও। এটা একটা রহমত, নিষেধাজ্ঞা নয়।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মনে করো, যখন আমরা পুরোপুরি কারণ না বুঝেই আনুগত্য করি, তখন পুরস্কারটা কী হতে পারে? এটাই তো চূড়ান্ত তাওয়াক্কুল, না? আর তাঁর পেছনে নামাজ পড়লে পুরস্কার কমে না-কেউ কেউ বলছেন, এতে তো বরং সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সত্যি বলতে, একমাত্র আল্লাহরই হিকমাহ, আপু। নামাযের মধ্যে আমাদের যে অবস্থান দেওয়া হয়েছে, তা আমাদেরকে বিনয় শৃঙ্খলা শেখায়-প্রেম কিংবা মাহরামের মর্যাদার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি আয়েশা (রা.)-ও নবীজী (সা.)-এর পিছনে নামায আদায় করতেন।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমিন, আরেকটু যোগ করি।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

য়া আল্লাহ, আমাদেরকে বুঝ দান কর।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সুবহানআল্লাহ, আগে কখনো এটা ভাবিনি।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে হিদায়াত দিন।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন