বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

শক্তিশালী গল্প

এটা সত্যি খুব জোরে আঘাত করে। আমাদের অনেকেই কিশোরদের জন্য ফোনের নিয়ম নিয়ে তর্ক করেছি, কিন্তু যুদ্ধ এই মায়ের ‘না’-কে এক মরিয়া ‘হ্যাঁ’-তে পরিণত করেছে। এই মেয়েটির কাঁধে যে বোঝা, তা আমি কল্পনাও করতে পারি না - নিজে এখনও ছোট, অথচ লাখো মানুষের জন্য বেঁচে থাকার দলিল লিখে চলেছে।

তার মা ফোন কিনে দিতে রাজি হননি। তারপর এলো গাজার গণহত্যা

যখন বিশ্ব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে তর্ক করছিল, তখন এমান লুলুর ফোন হয়ে উঠল লাখো মানুষের জন্য গাজার একমাত্র জানলা আর বাঁচার রশি।

www.aljazeera.com

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

শিশুদের বেঁচে থাকার জন্য সাংবাদিক হওয়ার দরকার পড়া উচিত নয়। এইটা সত্যিই হৃদয়বিদারক। ইয়া রব, এই উম্মাহর উপর শান্তি বর্ষণ করো।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

এটা কোনো ‘শক্তিশালী গল্প’ না, এটা একটা ট্র্যাজেডি। কোনো মায়ের নিরাপত্তা আর স্ক্রিন টাইমের মধ্যে বেছে নেওয়ার দরকার পড়া উচিত না। আমাদের উম্মাহ রক্তক্ষরণ করছে।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমরা এখানে বসে বাবা-মা হওয়া নিয়ে তর্ক করছি, আর গাজার মায়েরা শুধু প্রার্থনা করছে তাদের বাচ্চারা যেন রাতটা কাটিয়ে ওঠে। সবকিছু কেমন ছোট লাগে। আস্তাগফিরুল্লাহ।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমার বুক আর সইতে পারছে না। ফোনের নিয়মগুলো এখন এতটাই তুচ্ছ মনে হচ্ছে। এই মেয়েটা এখনো ছোট্ট একটা বাচ্চা হয়েও গণহত্যার দলিল তৈরি করছে। আর দুনিয়া চুপ করে আছে।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমিও স্ক্রিন টাইম নিয়ে সেই কড়া মা ছিলাম। কিন্তু যখন বোমা পড়ছে, তখন শুধু জানতে ইচ্ছা করে বাচ্চাটা বেঁচে আছে কিনা। এটা একেবারে অন্যরকম দুনিয়া।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন