JPU KPK বেনামে জারি করা এসকে কোটা হাজি ব্যাকডেটের অভিযোগ প্রকাশ করল গুস ইয়াকুত
টিম জাকসা পেনুন্তুত উমুম (জেপিইউ) কমিসি পেম্বারান্তাসান কোরুপসি (কেপিকে) ধর্ম মন্ত্রীর সিদ্ধান্তপত্র (কেএমএ) ২০২৪ সালের অতিরিক্ত হজ কোটা সংক্রান্ত ব্যাকডেটে প্রকাশের অভিযোগ উন্মোচন করেছে। মঙ্গলবার (১১/৮/২০২৬) জাকার্তা সেন্ট্রাল দুর্নীতি আদালতে প্রাক্তন ধর্মমন্ত্রী ইয়াকুত ছলিল কৌমাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পাঠকালে এই তথ্য ফাঁস হয়।
জেপিইউ জানায়, কেএমএ নম্বর ১১৫৬/২০২৩, যা ১৪৪৫ হিজরি/২০২৪ খ্রিস্টাব্দের অতিরিক্ত হজ কোটা নিয়ে, তার তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ দেখানো হলেও আসলে তা স্বাক্ষরিত হয় ৯ জানুয়ারি ২০২৪-এ। অভিযোগ, এই তারিখ বসানো হয়েছে সম্ভাব্য হাজিদের হজ ফি পরিশোধের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার জন্য, কারণ সিদ্ধান্ত জারির ৩০ দিনের মধ্যে ফি পরিশোধের শেষ তারিখ ধার্য ছিল। এই কেএমএটি প্রচারও করা হয়নি বলেও অভিযোগ।
তাছাড়া, জেপিইউ জানায়, কেএমএ নম্বর ১৩০/২০২৪ যা ২৪ জানুয়ারি ২০২৪-এ জারি হলেও তাতে ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ দেখানো হয়েছে। এই কেএমএ ২০,০০০ অতিরিক্ত হজ কোটা ভাগ করে ১০,০০০ বিশেষ হজ ও ১০,০০০ নিয়মিত হজের জন্য বরাদ্দের কথা বলে। জাকসাদের সন্দেহ, এই বণ্টনের উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ হজ আয়োজক সংস্থাগুলোর (পিআইএইচকে) স্বার্থ চরিতার্থ করা, যারা বিশেষ হজ কোটার বরাদ্দ ৮ শতাংশের বেশি চাইছিল।
এই মামলায় গুস ইয়াকুতসহ মোট চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ৬২২.০৯ বিলিয়ন রুপিয়াহ আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ রয়েছে। ইয়াকুতের বিরুদ্ধে ২৭১,৫০০ মার্কিন ডলার আত্মসাতেরও অভিযোগ আনা হয়েছে, পাশাপাশি হজ কোটা কারসাজির মাধ্যমে আরও বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের লাভবান হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
https://www.gelora.co/2026/08/