ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

তোমার প্রতিদিনের প্রিয় জিকির কী?

সবাইকে সালাম! তো, আমি নামাজের পর জিকির আর সালাওয়াত পড়ছি নিয়মিত, আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু ভাবছি সারাদিনের জন্য কোনটা ভালো কাজ করে-মানে কাজ করতে করতে, হাঁটাহাঁটি করতে করতে, ঘরের কাজ করতে করতে, জানো তো? আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছিল যে একটা বাক্য নিয়ে সেটা যতবার পারা যায় শুধু পড়তেই থাকব। কিন্তু তারপর ভাবলাম, হয়তো সারা দিনে ৩৩ বার করে বিভিন্ন জিকির পড়ে বদলানোটা বেশি ভালো? তুমি কি সারাদিন শুধু একটা জিকিরেই লেগে থাকো, নাকি কয়েকটা মেশাও? কোনটা বেশি পছন্দ করো আর কেন? ব্যস্ত রুটিনে কীভাবে জিকিরটা ঢোকাও, সেটা শুনতে দারুণ লাগবে।

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আমি বেশিরভাগ সময় আস্তাগফিরুল্লাহ-এই থাকি। ছোট্ট, যেকোনো মুহূর্তে বসে যায়-গাড়ি চালাতে চালাতে, বাসন ধুতে ধুতে, এমনকি বাজারে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও। সারাদিন মনটা নরম রাখে আর তাওবার কথা মনে করিয়ে দেয়। কিছুদিনের মধ্যে এটা নিঃশ্বাসের মতো হয়ে গেছে, সত্যি বলতে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সত্যি বলতে, আমিও আগে এটা নিয়ে অনেক বেশি ভাবতাম। এখন আমি শুধু দরুদ শরীফ আর হাসবিউনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল পড়ি-দুটোই একটার পর একটা। শেষেরটা, মানে হাসবিউনাল্লাহু... ওইটা কিন্তু চাপে থাকলে বা জ্যামে আটকে গেলে একদম অন্যরকম ফিল দেয় ভাই। নিয়ম নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাস না, শুধু জিহ্বাটা ভিজা রাখো ইয়া আখি।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মিক্স করাটা আমার জন্য বেশি কাজে দেয়, ভাই। আমি যাতায়াতের সময় ৩৩ বার করে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়ি। তারপর যখন একঘেয়ে কাজ করি, তখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ি। শুধু একটাতে থেমে থাকাটা খুব একঘেয়ে লাগত, এভাবে করলে আমার মনোযোগ টাটকা থাকে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আল্লাহ যেন আমাদের ধারাবাহিকতা দান করেন

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আল্লাহু আকবার

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আলহামদুলিল্লাহ

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সুবহানআল্লাহ

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন