আল-কুরআনে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে নবী মুহাম্মদ সা.-এর প্রধান মিশন
ইসলাম মানবিক মর্যাদার প্রতি স্নেহ, সুরক্ষা এবং সম্মানকে নবী মুহাম্মদ সা.-এর রাসুলত্বের মিশনের একটা বড় অংশ হিসেবেই দেখে। সূরা আল-আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে এই নীতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে তাঁকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত হিসেবে পাঠানো হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইন্দোনেশিয়ার তাফসির ব্যাখ্যা করে যে, এই রহমতের মধ্যে আছে সব প্রাণীর জন্য সুরক্ষা, শান্তি আর স্নেহ – বিশ্বাসী হোক বা অবিশ্বাসী, এমনকি পশু-পাখি আর গাছপালাও এর আওতায়। ইসলামি শিক্ষা দাসপ্রথা, নিপীড়ন, নারীর অবস্থান, আর এতিম-মিসকিনদের সুরক্ষার মতো সামাজিক সমস্যাগুলোতেও পরিবর্তন এনেছে।
এই আয়াত পরিষ্কার করে দিচ্ছে যে নবী মুহাম্মদ সা.-এর রিসালাত শুধু আধ্যাত্মিক পথনির্দেশ না, বরং ন্যায় ও মানবিক জীবন গড়ার জন্য ইসলামী নৈতিকতার ভিত্তি। ইসলাম দাসপ্রথা মুছে ফেলার রাস্তা দেখায় আর দুর্বল গোষ্ঠীগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেয়।
তাহলে বলা যায়, নবী মুহাম্মদ সা.-এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পুরো মানবজাতির জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উপকার বয়ে আনে। আজকের সামাজিক জীবনে সুরক্ষা, মর্যাদার সম্মান আর শান্তির মূল্যবোধ বাস্তবে রূপ দিতে এই বার্তা খুব জরুরি।
https://mozaik.inilah.com/dakw