বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ইসলামে আমার বোন

“কিন্তু আমি নেকাব পরা মেয়েদের আরও খারাপ কাজ করতে দেখেছি।” আবার সেই একই পুরনো তর্ক। যেসব বোনেরা মুখ ঢাকে না, তারা প্রায়ই তাদের দিকে আঙুল তোলে, প্রতিটা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে নেয়। আশ্চর্যের ব্যাপার, দায়িত্ব এড়ানোর দরকার হলেই কেবল নেকাবের প্রসঙ্গ ওঠে। যেই আমাদের ভুলগুলো তুলে ধরা হয়, অমনি আমরা অন্যের ভুলগুলো টেনে আনি, কিন্তু ব্যাপারটা তেমন না। সে তোমার প্রতিরক্ষা নয়। যেই আমরা আমাদের আমলকে অন্যের ত্রুটির সাথে তুলনা করি, তখনই আমরা আসল কথাটাই মিস করি। কারণ কেয়ামতের দিন, আল্লাহ তোমাকে তার আমলনামা দেখাবেন না। তোমারটা-ই দেখাবেন। নেকাব পরা আনুগত্যের একটা কাজ। সে ঢাকে কারণ তার রব তাকে আদেশ করেছেন, আর এটা তার আর আল্লার মাঝের ব্যাপার, তিনি মহিমান্বিত, সমুন্নত। এটা নিখুঁততার কোনো ব্যাজ নয়, আর এটা এমন কিছু না তুমি তর্কে কাজে লাগাবে যখন তোমাকে জবাবদিহি করতে ডাকা হয়। অন্যের ভুল বড় মনে হলেই তোমার ভুল খুব বেশি ছোট হয়ে যায় না। আর কথা ঘোরানো, যত তাড়াতাড়িই করো, কথার ঘোরানোই থাকে। আয়নাটা একটা কারণে তোমার সামনে ধরা হয়েছিল। চোখ ফিরিয়ে নেওয়ায় সেটা ধুয়ে যায় না যা দেখছ। প্রশ্নটা কখনোই ওকে নিয়ে ছিল না। ওটা বরাবরই তোমাকে নিয়ে। সেদিন তুমি তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে না। তুমি একা থাকবে, নিজের খাতা নিয়ে, নিজের পছন্দগুলোর জবাব দিতে। তাই হয়তো সেখানেই মনোযোগ রাখা দরকার। সে নেকাব পরেছিল আল্লাহর জন্য, যিনি সুউচ্চ। তুমি তাঁর জন্য কী করছ?

+54

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

একদম ঠিক কথা! একজন নিকাব পরিহিতার গুনাহ তোমার গুনাহকে জায়েজ করে না। নিজের আমলের ওপর দাঁড়াও, অন্যের ত্রুটির ওপর নয়।

+2
বোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সে আল্লাহর জন্য ঢাকঢোল পাড়ে। ওটা তার আর আল্লাহর মধ্যে ব্যাপার। আমার নিজের কাজগুলোই আমার সামনে আসবে। ব্যাস।

0

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন