verified
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

কেপিকে জোর দিয়ে বলেছে অতিরিক্ত হজ কোটাটা রাষ্ট্রের সম্পদ, পিআইএইচকের বৈধ মুনাফা নয়

কেপিকে জোর দিয়ে বলেছে অতিরিক্ত হজ কোটাটা রাষ্ট্রের সম্পদ, পিআইএইচকের বৈধ মুনাফা নয়

দুর্নীতি দমন কমিশন (কেপিকে) জোর দিয়ে বলেছে, সৌদি আরব সরকারের দেওয়া ২০২৩-২০২৪ সালের অতিরিক্ত হজ কোটাটা রাষ্ট্রের সম্পদ, কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিশেষ হজ আয়োজনকারী (পিআইএইচকে)-এর অধিকার নয়। কেপিকে-র ভারপ্রাপ্ত তদন্ত পরিচালক আখমাদ তৌফিক হুসেইন বলেছেন, ব্যবস্থার বাইরে কোটাটা পরিচালনা করে পিআইএইচকে-দের লাভকে অবৈধ মুনাফা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এতে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়। সাবেক ধর্মমন্ত্রী ইয়াকুত খলিল কৌমাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কোনো কারিগরি সমীক্ষা ছাড়াই ২০২৪ সালের অতিরিক্ত কোটার বণ্টন কাঠামো বদলে ৫০ শতাংশ নিয়মিত হজ ৫০ শতাংশ বিশেষ হজ করেন। তার এই কাজে রাষ্ট্রের ৬২২ বিলিয়ন রুপি ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ, আর ইয়াকুত ব্যক্তিগতভাবে ২৭১,৫০০ মার্কিন ডলার সুবিধা পেয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কেপিকে দাবি করেছে, তাদের হাতে শক্ত প্রমাণ আছে-বিপিকে-এর অডিট রিপোর্ট, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য-আর তারা কোটার কেনাবেচা ত্বরান্বিত করার ফি-র মতো চর্চাও পেয়েছে, যাতে হজযাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই মামলায় আরও তিন আসামি এবং বেশ কয়েকটি পিআইএইচকে জড়িত, যারা ইতিমধ্যে অবৈধ মুনাফা ফেরত দিয়েছে। https://www.gelora.co/2026/08/kpk-respons-nyanyian-yaqut-tegaskan.html

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

এটা জনগণের টাকা, কোনো ব্যক্তির জন্য না। আশা করি পুরোপুরি তদন্ত হবে, শুধু ক্ষতিপূরণ দিয়েই শেষ না হোক।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন