শিশু ও নব মুসলিমদের কুরআনের আয়াতের অর্থ শেখা উচিত, শুধু উচ্চারণ করে পড়া নয়।
সবাইকে সালাম। আমার শাহাদাতের পর দশ বছর ধরে আমি মুসলিম, আর প্রাপ্তবয়স্ক হয়েই আরবি শিখেছি। সময়ের সাথে আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি যা আমাকে চিন্তিত করে। অনেক কমিউনিটিতে একটা সাধারণ রীতি দেখা যায়, যেখানে শুধুমাত্র সঠিক উচ্চারণে কুরআন তিলাওয়াতের ওপরেই জোর দেওয়া হয়, শব্দগুলোর অর্থ বোঝার কোনো চেষ্টা থাকে না। আমি বলছি না যে শিশু বা নতুন মুসলিমদের সুরা মুখস্থ করার আগে আরবি ব্যাকরণে বিশেষজ্ঞ হতে হবে বা নির্ভুলভাবে কথা বলতে হবে। কিন্তু আমি মনে করি, তারা যেসব শব্দ মুখস্থ করে, সেগুলোর প্রাথমিক অর্থ জেনে নেওয়াটা মুখস্তেরই একটা অংশ হওয়া উচিত। কেউ কোনো আয়াতের গঠন নিয়ে বিভ্রান্ত হলে শিক্ষকদের উচিত তা সহজ করে ব্যাখ্যা করা। সত্যি বলতে, আমি বিশ্বাস করি শব্দের অর্থ শেখানো শুরু করা উচিত আগেভাগেই, এমনকি যখন তারা আহসানুল কাওয়াঈদ বা নূরানিয়ার মতো বই ব্যবহার করে, যেখানে অক্ষরগুলো মিলে শব্দ তৈরি হতে শুরু করে। নিশ্চয়ই, এতে হয়তো একটু বেশি সময় লাগবে, কিন্তু গুণগত শেখা নিশ্চিতভাবেই পরিমাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চলো আমাদের শিক্ষা-প্রক্রিয়াকে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলি।