ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যাকারী বিমান হামলা থেকে বেঁচে যাওয়ার মুহূর্তের বর্ণনা দিয়েছেন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানালেন, কীভাবে তিনি সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইকে হত্যাকারী বিমান হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সাংবাদিক জাভেদ মোগুইয়ের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলাটি ঘটে যখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠক চলছিল। তিনি এবং খামেনেইর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ আলি আসগর হিজাজি ভাঙা ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন, যদিও হিজাজির সেক্রেটারি সঙ্গে সঙ্গেই মারা যান।
আরাগচি স্বীকার করেন, নিরাপত্তায় ফাঁক ছিল, কারণ ইসরাইলের কাছে বৈঠকের স্থান সম্পর্কে সঠিক গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান জরুরি পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেছে, যার মধ্যে আছে সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া। আরাগচি আরও বলেন, ইরানের সরকার নেতৃত্ব পরিবর্তন হলেও নীতি বদলাবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, সফলতা নিয়ে তাঁর সন্দেহ থাকলেও কূটনীতি তবু দরকার। ইরান একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু ওয়াশিংটনের মনোভাব হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। তিনি সতর্ক করে দেন, ইরানের স্থাপনায় হামলা হলে ইসরাইলের স্থাপনা ও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, ইরান যুদ্ধে যাবে না, যদি না যুদ্ধ না করার খরচ বেশি হয়। তিনি আরও বলেন, ইরানের সহিষ্ণুতার পেছনে রয়েছে হাজার বছরের সভ্যতা ও শাহাদাতের বিশ্বাস, যা দেশকে সহজে পরাজিত হতে দেয় না।
https://www.gelora.co/2026/07/