এখন কি সকাল ৫:৩০-এ ফজরের নামাজ পড়া যাবে? এই সময়সীমা এবং দলিলসমূহ
ফজরের নামাজ এখনও সকাল ৫:৩০-এ পড়া যাবে, যতক্ষণ না নিজ নিজ এলাকায় সূর্য ওঠে। BMKG-এর তথ্য অনুযায়ী ২৭ জুলাই ২০২৬-এ, জাকার্তায় সূর্যোদয় সকাল ৬:০৪ WIB, বান্দা আচেহতে ৬:৩৪ WIB, এবং জয়াপুরায় ৫:৪৫ WIT। তবে শরয়ি কারণ ছাড়া নামাজকে সূর্যোদয়ের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত দেরি করা মাকরুহ। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ফজরের নামাজের সময় হলো ফজর সাদিক উদিত হওয়া থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত (মুসলিম বর্ণিত)।
যদি ঘুম বা ভুলে ফজরের নামাজ ছুটে যায়, তাহলে মনে পড়ামাত্র তা কাযা করা ওয়াজিব। নবী (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি নামাজ ভুলে যায় বা ঘুমের কারণে ছেড়ে দেয়, তার কাফফারা হলো যখনই মনে পড়ে তা আদায় করা" (বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত)। ঘুমিয়ে পড়ার কারণে নামাজে অবহেলা বলা হয় না, বরং অবহেলা হলো ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করে অন্য নামাজের সময় উপস্থিত করা। কাযা করার সময় নিয়ত হবে: উশাল্লি ফারদোস সুবহি রাকআতাইনি মুস্তাকবিলাল কিবলাতি ক্বাদোআন লিল্লাহি তায়ালা।
সময়মতো নামাজ পড়ার অনেক ফজিলত আছে। নবী (সা.) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হিসেবে সময়মতো নামাজ পড়ার কথা বলেছেন (মুসলিম বর্ণিত)। তাছাড়া, ফজরের নামাজ সময়মতো পড়লে গুনাহ মোচন হয়, ফেরেশতারা হেফাজত করে, স্বাস্থ্য ভালো থাকে, হৃদয় কোমল হয় এবং জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
https://mozaik.inilah.com/ibad