তাজবিদের ১৪ প্রকার মাদ ফার'ই: ব্যাখ্যা ও আয়াতের উদাহরণ
তাজবিদ শেখা, যার মধ্যে মাদ ফার'ই অন্তর্ভুক্ত, কুরআন সঠিকভাবে পড়ার জন্য জরুরি। মাদ ফার'ই হলো মাদ তবি'ইর একটি শাখা, যা নির্দিষ্ট কারণে ঘটে, যেমন হামজার সাথে মিলিত হওয়া, সুকুন, বা ওয়াকফ, ফলে তার দৈর্ঘ্যে তারতম্য হয়।
মাদ ফার'ইর ১৪ প্রকার রয়েছে, যেমন মাদ ওয়াজিব মুত্তাসিল (একই শব্দে হামজার সাথে মিলিত), মাদ জায়িজ মুনফাসিল (পরের শব্দে হামজা), মাদ 'আরিদ লিসসুকুন (ওয়াকফ করার সময়), মাদ বাদাল (হামজা মাদ দ্বারা প্রতিস্থাপিত), এবং মাদ 'ইওয়াদ (তানউইন ফাতহা ওয়াকফ করা হলে)। এছাড়া আছে মাদ লাইয়িন, মাদ শিলাহ কাসিরাহ ও তওইলাহ, মাদ তামকিন, মাদ ফারকু, এবং মাদ লাজিম কিলমি মুসাক্কাল ও মুখাফফাফ, আর সূচনা অক্ষরের ক্ষেত্রে মাদ লাজিম হারফি মুসাক্কাল ও মুখাফফাফ।
প্রত্যেকেরই আলাদা তাজবিদের বিধান ও দৈর্ঘ্য আছে, সাধারণত ২, ৪, ৫ অথবা ৬ হারাকাত। যেমন, মাদ ওয়াজিব মুত্তাসিল ৪-৬ হারাকাত পড়া হয়, আর মাদ লাজিম কিলমি মুসাক্কাল অবশ্যই ৬ হারাকাত পড়তে হয়। এগুলোর উদাহরণ কুরআনের বিভিন্ন আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে।
https://mozaik.inilah.com/ibad