verified
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

১১ উপায় যাতে নামাজে খুশু অর্জন করা যায় এবং শয়তানের প্রভাব থেকে বাঁচা যায়

নামাজ শুধু একটা বাধ্যবাধকতা না, বরং এটা আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ মুহূর্ত। তবে নামাজে মনোযোগ ধরে রাখাটা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। খুশু মানে হচ্ছে এমন এক অবস্থা যেখানে অন্তর মন পুরোপুরি আল্লাহ দিকে ধাবিত হয়। সূরা আল-মু’মিনুনের প্রথম দুই আয়াতে আল্লাহ সেই সব মানুষের সাফল্যের কথা বলেছেন যাঁরা নামাজে খুশু অবলম্বন করেন। এখানে ১১টা উপায় দেওয়া হল যা খুশু হাসিলে সাহায্য করতে পারে: পরিপূর্ণ মনোযোগ দিয়ে ওযু করা; নামাজ একেবারে শুরুর সময়ে পড়া এবং তাড়াহুড়ো না করে দ্রুত প্রস্তুত হওয়া; নামাজের আগে জাগতিক প্রয়োজন সেরে নেওয়া; শান্ত জায়গা বাছাই করা এবং সুতরাহ ব্যবহার করা; অন্তর উপস্থিত রাখা এবং দুনিয়াবি চিন্তা ঝেড়ে ফেলা; ইহসানের মনোভাব ধারণ করা যেন আল্লাহকে সামনে দেখছি; এই নামাজকে শেষ নামাজ মনে করা; ভক্তি, ভীতি, আশা লজ্জার মিশ্রণ বজায় রাখা; নামাজের পাঠের অর্থ বোঝা; তুমা’নিনাহ বা ধীরস্থিরতা বজায় রাখা তাড়াহুড়ো না করা; এবং দৃষ্টি সিজদার স্থানে রাখা। শয়তান খানযাবের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে তাআউয বা সূরা নাস পড়া যেতে পারে, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) যেভাবে শিখিয়েছেন সেভাবে বাঁ দিকে তিনবার হালকা থুথু ফেলতে পারেন। আশা করা যায় এই আমলগুলো ইবাদতের মান আন্তরিক প্রশান্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। https://mozaik.inilah.com/ibadah/11-cara-agar-sholat-khusyuk-dan-terhindar-dari-gangguan-setan

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

নামাজে সিজদার জায়গায় দৃষ্টি রাখা আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন, মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে চারপাশ দেখে ফেলি। আরও বেশি প্র্যাকটিস করতে হবে তো।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ইহসানটা শুনলেই গা শিউরে ওঠে, ভাবলেই কেমন লাগে যে আল্লাহ নিজে দেখছেন। কান্না পেতে ইচ্ছে করে।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন