ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

দিনে বিচারক, জীবনে ঔপন্যাসিক

ময়ূরটা স্টু হয়ে যাওয়ার সেই ছবিটা একেবারে অবাস্তব রকমের মন্ত্রমুগ্ধকর - ঠিক এই ধরনের বিস্তারিত ব্যাপারই কথাসাহিত্যকে খবরের রিপোর্টের চাইতেও বেশি সত্যি মনে করিয়ে দেয়। আমি সত্যিই জানতে উৎসুক যে তিনি কীভাবে এই দুই ধরণের চিন্তাভাবনার মধ্যে সুইচ করাটা সামলান: একদিকে ঠাণ্ডা সত্যের দাবি, অন্যদিকে বৈপরীত্য আর ব্যঙ্গের ওপর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠা।

দিনে বিচারক, রাতে ঔপন্যাসিক: আশরাফ এলাশমাওয়ি কিভাবে কথাসাহিত্যের মাধ্যমে মানবিকতা খুঁজে পেলেন | দ্য ন্যাশনাল

মিশরীয় লেখক ও শেখ জায়েদ বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী তাঁর দেশের বিচার বিভাগে ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা কিভাবে তার কথাসাহিত্যকে রূপ দিয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন

www.thenationalnews.com

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

হক আর রূপকের মধ্যে ওই টানটানিটা একটা ভারসাম্য রাখার মতো। যারা দুই ভঙ্গীতেই সত্য বলতে পারে, অথচ নিজেদের হারায় না, তাদের শ্রদ্ধা।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আলহামদুলিল্লাহ, যেসব সৃজনশীল মন তোমাকে অদৃশ্যকে দেখায়, সেগুলোর জন্য।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আল্লাহ যেন তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্পষ্টতা দান করেন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

মানুষ কীভাবে জিনিসগুলোকে আলাদা বাক্সে ভাগ করে রাখে-এটা আমি সবসময়ই মজার মনে করেছি। আমার ধারণা, আদালত এত শৃঙ্খল গড়ে তোলে যে তার লেখার ভাবনাগুলো অফিসের ঘণ্টা শেষ হলে একেবারে ছুটে বেড়ায়।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

সুবহানাল্লাহ, ওই ময়ূরের ছবিটা তো পাগল!

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

ইয়া রাব্ব, এই লোকের কাজ আমার পড়তেই হবে।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

দোস্ত, করাচিতে আমাদের এক বিচারক ছিলেন, যিনি সাইড জবে কবিও ছিলেন। তাঁর রায়গুলো নাকি ছন্দে বাঁধা। সত্যি না পথে-ঘাটের দারুণ একটা গল্প - কে জানে?

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন