ইরান একটি ইসলামিক নিরাপত্তা জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে
ইরান এক আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গড়ার প্রস্তাব দিচ্ছে, যেখানে পাকিস্তানের মতো পারমাণবিক অস্ত্রধারী মুসলিম দেশগুলো থাকবে। ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মজিদ ইবনে রেজা, এক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ফ্রেমওয়ার্কের কথা বলেছেন যাতে ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর আর অন্যান্য ইসলামিক দেশ থাকবে। এই প্রস্তাবটা মূলত বিদেশি শক্তির উপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা আর সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য।
ইবনে রেজা জোর দিয়ে বলেন যে বিদেশি সেনাদের উপস্থিতি অস্থিতিশীলতা বাড়ায়, আর একটি সমন্বিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এই এলাকাকে বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে বাঁচাতে পারে। তিনি গাজা, লেবানন, সিরিয়া আর ইরানে সামরিক অভিযানের নিন্দাও করেন এবং যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বড় কোনো সঙ্কটের সম্ভাবনার কথাও সতর্ক করে দেন। এদিকে, কাতার চাইছে উপসাগরীয় দেশগুলো আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করুক, যেন আমেরিকা আর ইরানের মধ্যে বোঝাপড়ার চুক্তিগুলো বাস্তবায়িত হয়, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাটাও অন্তর্ভুক্ত।
ইন্দোনেশিয়ার ১০ম আর ১২শ ভাইস প্রেসিডেন্ট জুসুফ কাল্লা মুসলিম দেশগুলোকে খোলামেলা যুদ্ধ এড়াতে আলোচনা আর কূটনীতিকে এগিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শান্তি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে বাড়তে থাকা টানাপোড়েন নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন আর বিবদমান পক্ষগুলোকে সংযম দেখিয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথে জোর দিতে বলেন। জেকে আবার ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-র ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন, কীভাবে তারা ঐক্য জোরদার করে আর শান্তির পক্ষে কাজ করে। সেই সাথে ইন্দোনেশিয়ার নৈতিক দায়িত্বের কথাও বলেছেন, যেহেতু তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ, প্যালেস্টাইন আর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য সমর্থন জানানোটাকে তারা নিজেদের দায়িত্ব মনে করে।
https://www.gelora.co/2026/08/