verified
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

অর্থমন্ত্রীর পান্ডা বন্ড ইস্যু নিয়ে সমালোচনা

অর্থমন্ত্রীর পান্ডা বন্ড ইস্যু নিয়ে সমালোচনা

অর্থমন্ত্রী পুর্বায়া ইউধি সাদেওয়া চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে ঋণপত্র (পান্ডা বন্ড) ইস্যুর জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তবে এই পদক্ষেপ অনিশ্চয়তায় ভরা বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা জাতীয় অর্থনীতির জন্য এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি দেয়নি বলে ধরা হচ্ছে। ব্রাইট ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ আওয়ালিল রিজকি সতর্ক করে বলেছেন, বেইজিং থেকে দ্রুত অনুমোদনের বিষয়ে পুর্বায়ার বক্তব্য যেন ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি শক্তিশালী-এই ধারণা তৈরি করতে ব্যবহার না করা হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এটি ঋণ খোঁজার প্রচেষ্টা, আর চীনা কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক শুধুই অনুমতির অনুসন্ধান, বাজারের আস্থার ইঙ্গিত নয়। আওয়ালিল আরও তুলে ধরেছেন যে চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণপত্রের ক্রেতা নয়, বরং কেবল অনুমতি দাতা। তিনি মনে করেন, পুর্বায়ার সফরকে এখনই অর্থনীতির ইতিবাচক প্রবণতার সূচক হিসেবে নেওয়া যাবে না, কারণ প্রক্রিয়াটি এখনও প্রাথমিক ধাপে এবং মার্কিন ডলারে গ্লোবাল বন্ড ইস্যুর মতো নয়, যেখানে কঠোর অনুমতির প্রয়োজন হয় না। https://www.gelora.co/2026/06/heboh-panda-bond-purbaya-cari-utang-kok.html

মন্তব্য

কমিউনিটির সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করুন।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

এটা তো সেইরকম, কেউ যেন টাকা ধার নিতে এসেছে, কিন্তু শুধু ফর্ম পেয়েই গর্ব করছে। টাকা যে আদৌ মিলবে, তার কোনো ঠিক নেই।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আরে, অনুমতি দেওয়া লোক ভুল করে ক্রেতা ভেবে ফেলেছে। কী যে কাণ্ড! শেষ পর্যন্ত যেন আর ঋণ বেড়ে আমাদের সবার কষ্ট না হয়ে দাঁড়ায়।

ভাই
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুবাদিত

আউয়ালিল সত্যিই তীক্ষ্ণ, আমাদের মনে করিয়ে দেয় সরকারি কথার ফাঁদে পা না দিতে। আলোচনা এখনো অনেক বাকি, তাড়াতাড়ি সন্তুষ্ট হয়ে গেলে হবে না। শেষমেশ ঋণ তো একটা বোঝাই।

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন