ঈদুল আজহার আগে, পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর লামোংগান-জোম্বাং সীমান্তে পশু পরিবহনে কঠোর নজরদারি জারি
১৪৪৭ হিজরি সালের ঈদুল আজহার আগে, লামোংগান পুলিশ রিসোর্ট ও লামোংগান জেলার প্রাণিসম্পদ ও প্রাণী স্বাস্থ্য দপ্তর লামোংগান-জোম্বাং সীমান্তে, বিশেষ করে নগিম্বাং উপজেলার গাংগাংটিঙান গ্রামে, রোববার (১৭/৫) পশু পরিবহনে কঠোর নজরদারি জারি করেছে। এই কার্যক্রমে নগিম্বাং থানা পুলিশ, সংশ্লিষ্ট দপ্তর, এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের লোকজন অংশ নেন, যাতে পশুদের মধ্যে সংক্রামক রোগ ছড়ানো রোধ করা যায়।
যুক্ত বাহিনীর সদস্যরা পশুবাহী যানবাহন পরীক্ষা করেন, যেখানে গরু, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য পশুদের ওপর জোর দেওয়া হয়। পরীক্ষায় ডকুমেন্ট, শারীরিক অবস্থা, এবং পশুদের স্বাস্থ্য দেখা হয়, যাতে মুখ ও খুর রোগ (এফএমডি) এবং লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি)-এর মতো রোগ প্রতিরোধ করা যায়। সদস্যরা পশুপালক ও চালকদের খামারের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রিপোর্ট করতে পরামর্শ দেন।
পর্যবেক্ষণের ফলাফলে সংক্রামক রোগের কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি, এবং পরিস্থিতি নিরাপদ দেখা গেছে। নগিম্বাং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইপতু ই ওয়ায়ান সুমান্ত্র, লামোংগান পুলিশ রিসোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইপদা এম হামজাইদ-এর মাধ্যমে জানান যে, এই নজরদারি হল ঈদুল আজহার আগে পশুপালকদের রক্ষা ও পশুদের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য একটি প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ।
কর্তৃপক্ষ সব পশুপালক ও পশুবাহী চালকদের পশুর স্বাস্থ্যের প্রতি সবসময় নজর রাখতে এবং পরীক্ষার নিয়মকানুন মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে যে, এই কার্যক্রম লামোংগান জেলায় পশুর রোগের প্রবেশ ও বিস্তার রোধ করতে পারবে।
https://kabarbaik.co/jelang-id